সোমবার ২২শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
সোমবার ২২শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

আমের মুকুলে মৌ – মৌ গন্ধে মুখরিত রাজশাহী অঞ্চল।

আজকের খবর। ব্রেকিং নিউজে।

মোঃ আব্দুস সালাম গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:

গাছে গাছে স্বর্ণালী মুকুলে ভরে উঠেছে রাজশাহী। শহর থেকে গ্রাম- সবখানেই এখন বাতাসে আমের এই মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত রাজশাহী অঞ্চল ।এবার ৭০ থেকে ৮৫ শতাংশ গাছে আমের মুকুল ফুটেছে। আরও কিছু মুকুল আসতে পারে এই সপ্তাহেই। ভাল ফলনের আশায় বুক বাঁধছেন আমচাষিরাও। তাই মুকুল টিকিয়ে রাখতে ঘাটতি রাখছেন না পরিচর্যায়।

এদিকে ভরা বসন্তে গাছে গাছে মুকুল আসায় আমবাগান ও পথ-ঘাটের চিরচেনা রূপ বদলে গেছে। ফুটে উঠেছে এক নান্দনিক রূপ। কিছুটা ঊষ্ণ আবহাওয়ার বাতাসে ছড়াচ্ছে মুকুলের সুবাস। এর ভেতরেই বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন চাষিরা। প্রত্যাশা করছেন, গত কয়েক বছরে ঘাটতি যে এবার উসুল হয়।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাজশাহী বিভাগের ৪ জলোতে মুলত আম চাষ হয়। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও নাটোর।

জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে গাছে গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে নতুন মুকুল আসার সময়। আগামী সপ্তাহেই শেষ হবে মুকুল আসা। এখন শুধু মুকুলে আমের গুটি আসার অপেক্ষা। কিছু কিছু গাছে ইতোমধ্যে ছোট ছোট গুটি এসেছে। আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে সব মুকুলেই গুটি ধরবে।

রাজশাহীতে সবচেয়ে বেশি আমবাগান রয়েছে জেলার বাঘা উপজেলার। সরেজমিনে এ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রত্যেকটি বাগান ভরে উঠেছে আমের মুকুলে। বাঘার আড়ানী থেকে পুঠিয়া উপজেলা সদর পর্যন্ত চলে যাওয়া রাস্তাটির দুপাশে আমবাগান। বাগানগুলোর আমগাছ থেকে মুকুল ঝুলছে রাস্তার দুপাশে। কোন গাছে মুকুল স্বর্ণালী আবার কোনটির রঙ একটি খয়েরি বর্ণ ধারণ করেছে।

রাজশাহী বাঘা এলাকার আমচাষিরা তার বাগানে গাছের গোড়ায় পানি দেয়ার কাজ করছিলেন। তিনি জানান কয়েকবছরে তিনি গাছে এত মুকুল দেখেননি। এত মুকুলে যদি আম ধরে তাহলে ডালই নুইয়ে পড়বে। মুকুলগুলো যেন টেকানো যায় সে কারণে তিনি গাছের গোড়ায় পানি দিচ্ছেন।

রাজশাহী বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলেন, এবার গাছে প্রচুর মুকুল এসেছে। এসব মুকুল যেন ঝরে না পড়ে সে জন্য চাষিদের গাছের গোড়ায় পানি দিতে বলা হচ্ছে।
এবং আমের মুকুল ঠিক রাখার জন্য এখন থেকেই স্প্রে করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে ।তবে অনেক চাষীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন কারন আমের সঠিক মুল্য পাওয়া যায় না। পাইকারী বাজারে ১০ টাকা থেকে ১৫টাকা কেজি দরে আম বিক্রি করতে ‌‌‌‌‌হয়। দীর্ঘ এক বছরের ফসল পরিবহন ও কীটনাশক প্রয়োগ এবং শ্রমিক মজুরি বাদ দিলে কৃষকরা লোকসানে আশঙ্কা থাকে । প্রতিযোগিতা মুলক আম চাষ করে অনেকেই আজকে লাভের বদলে লোকসানের টাকা গুনতে হচ্ছে । আমের বাগান করায় অত্য এলাকায় ফসলের জমি কমে গেছে ।
ফলে হতাশ ও নিরাশ অনেক আম চাষিরা ।

আরো পড়ুন

Spread the love