বৃহস্পতিবার ২৫শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
বৃহস্পতিবার ২৫শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ রফতানি হচ্ছে বিদেশে

আজকের খবর। ব্রেকিং নিউজে।

মোঃ আব্দুস সালাম গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:

বর্তমানে ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ রফতানি হচ্ছে এখন বিদেশে।
আবর্জনা হিসেবে মাছের আঁশ ফেলে দেওয়া হলেও তা বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন ব্যবসায়ীরা। আর এই আঁশ রফতানি হচ্ছে চীনসহ বিভিন্ন দেশে।

দেশের উত্তরাঞ্চলে মাছ বাজারের সর জমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নিজেদের পাশাপাশি অন্য দোকান থেকেও মাছের আঁশ সংগ্রহ করছেন মাছ ব্যবসায়ীরা। এরপর এগুলো প্রক্রিয়াজাত করে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা জানান, ক্রেতারা মাছ কিনে তা দোকান থেকেই কেটে নিয়ে যান। ক্রেতাদের ফেলে যাওয়া আঁশ বিক্রয় করে আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন তারা । মাছ চাষ লাভজনক হওয়ায় উত্তরাঞ্চলের বিশেষ করে রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, নওগাঁ বগুড়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জে কৃষী জমিতে পুকুর খনন করে প্রচুর পরিমাণে মাছ চাষ করা হচ্ছে ।

এই মাছ বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হচ্ছে । কৃষি পন্যর সঠিক মুল্য না পাওয়ায় অনেক কৃষকের মুখ ফিরিয়ে নিয়ে মাছ চাষের দিকে অগ্রসর হচ্ছে ।কারন পুকুর খনন করতে তেমন ব্যায় বহুল হয় না । ইট ভাটার মালিক নিজস্ব অর্থায়নে মাটি কেটে নিয়ে যায়। সামান্য কিছু টাকা ব্যায় করে মাটি সমান করলেই পুকুর হয়ে যায় । পুকুরের চারি পাশে বেগুন ,ঢ়ৈড়স,কলা, পেঁপে চাষ করে অনেকেই বাড়তি আয় করেন । মাছের আঁশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে ওষুধের ফয়েলসহ নানকিছু। দেশেও মাছের আঁশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে মাছ ও মুরগীর খাদ্য।

একজন মাছ বিক্রেতা বলেন,আমরা প্রতিদিন ১ থেকে ২ কেজি করে মাছের আঁশ জড়ো করি, যা মাসে ৩০ থেকে ৪০ কেজির মতো আঁশ বিক্রি করতে পারি। যা থেকে তিন-চার হাজার টাকা বাড়তি আয় হয়। এতে আমরা মাছ ব্যবসার পাশাপাশি বাড়তি আয় করতে পারছি।

তিনি আরো ও বলেন, মাছের আঁশগুলো আগে ফেলে দিতাম যা পরিবেশ দূষিত করতো। এখন মাছের আঁশগুলোর চাহিদা থাকায় আঁশগুলো ভালোভাবে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে বিক্রি করি।

মাছের আঁশ পাইকার ক্রেতা বলেন, আগে সবাই মাছের আঁশ ফেলে দিতো। এখন আমরা কিনি বলে সবাই সংগ্রহ করে রাখে। আমি দিনাজপুর, সৈয়দপুর, ঘোড়াঘাট, বগুড়া, নাটোর, জয়পুরহাট, বিরামপুর, রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলার মাছ বাজার থেকেও এ আঁশ সংগ্রহ করে থাকি। এগুলো সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠাই। সেখান থেকে চীনে রফতানি হচ্ছে।

Spread the love