মঙ্গলবার ২৩শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
মঙ্গলবার ২৩শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

বানিজ্যিকভাবে আম চাষীদের জন্য করনীয়

আজকের খবর। ব্রেকিং নিউজে।

মোঃ আব্দুস সালাম গাজীপুর প্রতিনিধি:

০১. মুকুল বের হওয়ার ১৫-২০ দিন পূর্বে-
প্রতি লিটার পানিতে সালফার জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন- থিওভিট বা কুমুলাস ০২ গ্রাম এবং সাপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক যেমন – রেলোথ্রিন ০১ মিলি মিশ্রিত করে স্প্রে করা।
০২. মুকুল বের হওয়ার পর বুস্টার-২ ম্যাজিক ড্রপ ১০ লিটার পানিতে ১০-১৫ ফোটা মিশিয়ে প্রথম ফুলে কুড়ি এলে ১ বার,পরে ২০ দিন অন্তর আরেক বার স্প্রে করতে হবে।
যখন মুকুলের দৈর্ঘ্য ৪-৬ ইঞ্চি হলে-
প্রতি লিটার পানিতে ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক যেমন- টিডো বা ইমিটাপ ০.৫ মিলি এবং ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন- টাইকোজেব ২ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করা।
০৩. আম মটর দানার মত হলে-
কার্বেন্ডাজিম জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন – অটোস্টিন ২ গ্রাম এবং কার্বারিল জাতীয় কীটনাশক যেমন- এসিকার্ব বা সেবিন ০১ মিলি প্রতি লটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।
০৪. মুকুল বের হওয়ার পর মাটিতে রস কম থাকলে ১৫ দিন পর পর সেচ দিতে হয়।
০৫. মুকুল থেকে ফুল ফোটা অবস্থায় কোন প্রকার স্প্রে করা যাবে না।
০৬. আমের গুটি মটর দানার মত বড় হলে।
প্রতি ১০ লিটার পানিতে ০৩ মিলি প্লানোফিক্স হরমোন মিশিয়ে স্প্রে করলে ফল ঝরা বন্ধ হয়। অথবা প্রতি লিটার পানিতে ২০গ্রাম ইউরিয়া মিশিয়ে স্প্রে করলে ফল ঝরা বন্ধ হয়।
০৭. সেপ্টেম্বর -অক্টোবর থেকে মুকুল বের হওয়ার আগ পযর্ন্ত গাছের গোড়ায় সেচ দেয়া যাবে না।
বি:দ: পরামর্শ গুলো পালন করলে আমের হপার পোকা, অ্যান্থ্রাকনোজ, পাউডারি মিলডিউ, পাতা দাগ, মুকুল ও পাতার স্যুটি মোল্ড রোগের ভালো প্রতিকার দেয় এবং ফলনও চমৎকার হয়।

Spread the love

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *