মঙ্গলবার ২৩শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
মঙ্গলবার ২৩শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

লামা উপজেলা প্রশাসিক ভবন উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী।

আজকের খবর। ব্রেকিং নিউজে।

আলীকদম ( বান্দরবান) সমর রঞ্জন বড়ুয়া

বান্দরবানের লামা উপজেলায় নবনির্মিত উপজেলা পরিষদ ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রীঃ সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এমপি ও পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং আনুষ্ঠানিকভাবে ফলক উন্মোচন ও ফিতা কেটে নবনির্মিত লামা উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের উদ্ধোধন করেন।

উক্ত অনুষ্টানে এই সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহম্মদ ইব্রাহিম, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর প্রধান প্রকৌশলী সেখ মোহাম্মদ মহসিন, জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি, বান্দরবান পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসলাম বেবী, লামা পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম, লামা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা জামাল, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বান্দরবানের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়াউল ইসলাম মজুমদারসহ সরকারি-বেসরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।এ সময় মন্ত্রী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর বাস্তবায়নাধীন লামা উপজেলা পরিষদের কমপ্লেক্স সম্প্রসারণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ৬ কোটি ১৮ লাখ ৭৭ হাজার ৫১ টাকা ব্যয়ে উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবন সম্প্রসারিত ও হলরুম নির্মাণ, ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বাসভবন এবং ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবন নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন।
ভবনের প্রতি ফ্লোরে ৪২৫০ বর্গফুট করে মোট ১৭ হাজার বর্গফুট এর মধ্যে ৩০টি কক্ষ রয়েছে। এছাড়া ৪ হাজার বর্গফুটের হলরুমসহ সর্বমোট ২১ হাজার বর্গফুটে আধুনিক সকল সুযোগ সুবিধা রয়েছে।

উদ্বোধন কার্যক্রম শেষে লামা উপজেলা পরিষদ মাঠ প্রাঙ্গণে লামা উপজেলা পরিষদের আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় বক্তব্য দেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।

তিনি বলেন, বান্দরবান এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বান্দরবান পর্যটন শহর হিসেবে ইতোমধ্যে সারাবিশ্বে নাম করেছে সে সঙ্গে এই এলাকার শিক্ষা, শান্তি ও উন্নয়নকে সামনে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয় যা এখন প্রমাণিত। এ সময় মন্ত্রী সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থেকে এক সঙ্গে উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশ নেওয়া এবং দেশ বিরোধী যে কোনো ষড়যন্ত্র নসাৎ করার আহ্বান জানান ।
প্রধান অথিতি মো. তাজুল ইসলাম মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ সুদৃঢ় নেতৃত্ব ও দুরদর্শিতার কারণে সমতলের সাথে পাল্লা দিয়ে পাহাড়েও ব্যাঁপক উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ সময় তিনি আরও বলেন দীর্ঘ সময় এই পাহাড়ে সংঘাতময় সংকটের কারনে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল পার্বত্য জনপদের মানুষের।
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার তথা আওয়ামীলীগ সরকারের শান্তি চুক্তির ফলে পাহাড়ে শান্তি ও উন্নয়নের সূচনা হয়েছে।
তাই স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে, শিক্ষা,শান্তি ও পার্বত্য এলাকার উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের বিকল্প নেই। এ সময় মন্ত্রী পার্বত্য এলাকার জনসাধারণের আর্থসামাজিক উন্নয়নের ধারা তরান্বিত করতে আগামীতেও বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি অর্থনৌতিক উন্নয়ন করার উপর গুরুত্বরোপ করেন।

Spread the love

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *